
দেশজুড়ে চলমান কৃষি সংকট মোকাবেলায় মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ৫ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ❝কৃষি সংকট মোকাবেলায় কৃষকের পাশে দাঁড়াতে জরুরি আহ্বান❞ শীর্ষক নির্দেশনা দেওয়ার পর থেকেই সারাদেশে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা কৃষকদের ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে পৌঁছে দেওয়ার কাজে অংশ নিচ্ছেন।
বর্তমানে ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, শ্রমিক সংকট এবং অতিরিক্ত শ্রমমূল্যের কারণে দেশের বহু কৃষক চরম বিপাকে পড়েছেন। যেখানে প্রতি মণ ধানের দাম প্রায় ৬০০ টাকার আশেপাশে, সেখানে শ্রমিকের মজুরি ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে অনেক কৃষক সময়মতো ধান ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতিতে নানা রাজনৈতিক বাধা, চাপ ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধান কাটতে, মাথায় করে ধান বহন করতে এবং কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিতে দেখা যাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়েও ছাত্রলীগের এই মানবিক উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ছাত্রলীগের এই কার্যক্রমকে মানবিক, দায়িত্বশীল ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করছেন। অনেকেই মন্তব্য করছেন, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও ছাত্রলীগ জনগণের পাশে থেকে তাদের ঐতিহ্যবাহী মানবিক রাজনীতির পরিচয় দিচ্ছে।
ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, ❝কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ। কৃষকের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই আমাদের অঙ্গীকার।❞ তারা আরও বলেন, দেশের যেকোনো সংকট, দুর্যোগ ও মানবিক পরিস্থিতিতে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের যে গণমুখী ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির ঐতিহ্য রয়েছে, কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর এই কর্মসূচি তারই ধারাবাহিকতা। মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জনগণের সঙ্গে আরও গভীর সম্পর্ক তৈরি করছেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় চলমান এই কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত রয়েছে।